.

Thursday, July 20, 2017

সম্পাদকীয়
 

কেউ কি শুনেছে, অপূর্ণ স্বাধীনতার কান্না? দেখেছে কি তাকে? হায়রে স্বাধীনতা! কিছু পদশব্দ মাঝে মাঝেই আশার সঞ্চার জগালেও বরাবরই কেন তা নিরব হয়ে যায়। এর জন্যই কি দেশ স্বাধীন হয়েছিল? পরাধীনতার জিঞ্জির ভেঙ্গে বাংলা মায়ের উদার মুক্ত আকাশে স্বাধীনতার যে গর্বিত পতাকা উড়ানো হয়েছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর, তা কি এই ব্যাধিগ্রস্থ গণতন্ত্রের জন্য? রাজতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র..ইত্যাদি কত তন্ত্রই তো আছে। তবে আছে কি এমন কোন পথ, যে পথে চললে হয়তো স্বধীনতার ৪৬ বছর পর দাড়িয়ে এত বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হতো না?  দেখতে হতো না সেইসব মানুষদের যাদের আজো দু বেলা না খেয়েই থাকতে হয়? শুনতে হতো না বাল্যবিবাহের স্বীকার সেই মেয়েটির আত্মচিৎকার? ভাবার সময় কি এখনও আসেনি? কিছু মানুষ চাইলেই পারে এজন্য হাল ধরতে হবে এখনই।


এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের এই সংগঠন নিবৃত আলোর শিখা। আর এই সংগঠনের পেছনে যাদের অক্লান্ত প্ররিশ্রম আর অবদান অনস্বীকার্য তারা আমার প্রিয় কাট মানুষ। ধন্যবাদ বা কৃতঙ্গতা নয়, তাদের জন্য রইল হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আজ যারা আছে, কাল তাদের স্থানে নতুনরা আসবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে নিবৃত আলোর শিখা চলবে তার আপন গতিতে। সফলতার গন্ডি পেরিয়ে ক্রমাগত রচিত হবে সফলতার নতুন দিগন্ত। এই শুভ কামনায়.....

সভাপতির বাণী

সভাপতির বাণী

 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
জনাব/জনাবা
আসসালামুআলাইকুম
ইলিশের নগরী চাঁদপুর প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত ফরিদগঞ্জ অন্যতম সমাজসেবা সংগঠন নিবৃত আলোর শিখা অত্র অঞ্চলের আধুনিক সংস্থা বিস্তারের আলোকিত বর্তিকা স্বরুপ। সফল ও জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তিত্বের জীবনের ভীত রচনায় অত্র সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেছি।
এমনই একটি ঐতিহ্যবাহি সংঘঠনের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি অত্র সংগঠনে সভাপতি পদে নিযুক্ত হওয়ার পর পূর্ণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের একাত্ততা ও সহযোগীতা কামনা করছি। আর্থিক সহযোগীতা আনয়নের লক্ষ্যে আমরা যাবতীয় আয়ের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো।
এতদসত্বে সুদক্ষ পরিচলনা পর্ষদ ও সভাপতি কর্তৃক পরিচালিত অত্র সংঘঠনের যে কোন কার্যক্রমে আপনাদের পরামর্শ গ্রহনের প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করছি। সংগঠন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সংগঠনের সর্বশ্রেষ্ঠ উদ্দেশ্য ব্যাক্তিত্যের পূর্ণ বিকাশ ও মনুষত্যের উন্মোষ ঘটানো একজন মানুষের পরিপূর্ণ বিকাশে সভাপতি, সহ-সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদ, নীতি নির্ধারক সংশ্লীষ্ট চেষ্টার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা একান্ত আবশ্যক।

উন্নতিকল্পে বছরের শুরু থেকে চলতে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা, অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের সংগঠন নারী নির্যাতন, যৌতুক প্রথা, বাল্য বিবাহ, দরিদ্র মানুষদের বাসস্থান, গরিব দুঃখি, স্কুলে পড়া শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরন বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মকান্ডে নিয়েজিত থাকবে। এবং ভবিষ্যত সম্পর্কে সজাগ থেকে কাজ করার সুযোগ ও ব্যাবস্থা গ্রহন করব। সংস্থার নিরলস ঐকান্তিক চেষ্টার ফলশ্রুতিতে একটা সংগঠনের আসবে চুড়ান্ত সাফল্য।

পরিশেষে বলতে চাই, সঠিক পথে পরিচালিত করে দায়িত্ববোধ সম্পন্ন, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা দৃঢ় শপথ হোক আমাদের অঙ্গীকার।
আল্লাহ আমাদের সহায় হউক।

 

কোষাধ্যক্ষের বাণী

কোষাধ্যক্ষের বাণী
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 

জনাব/জনাবা
আস্সালামুআলাইকুম
প্রথমে মহান রাব্বুল আলামিন এর নাম স্বরণ করছি।
আল্লাহ তায়ালা মানব ও জ্বীন জাতিকে একমাত্র তারই এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সমাজ সংস্কার ও সমাজ উন্নয়নে অবদান রাখা এবাদতেরই অন্যতম অংশ। দুনিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যত নবী (আঃ) আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত হয়েছেন, তাদের পেরণের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল, সমাজ সংস্কারের মাধ্যমে জাতিকে একটি ইনসাফপূর্ণ শান্তিময় সমাজ উপহার দেয়া। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের নিবৃত আলোর শিখা সংগঠন।

নিবৃত আলোর শিখা সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক সমাজ সেবামূলক সংগঠন। সমাজের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এর সৃষ্টি। সবার অক্লান্ত প্ররিশ্রম আর চেষ্টায় এই রকম একটি সংগঠন সৃষ্টি করতে পেরে আজ সত্যি আমি আনন্দিত। নিবৃত আলোর শিখা নামক এই সংগঠনটি সামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। আমি আরো আনন্দিত উক্ত সংগঠনের একজন সহকর্মী হতে পেরে। একজন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আমি আমার শ্রম,বুদ্ধি, জ্ঞান, দিয়ে সর্বাত্তক সহযোগিতা করে যাব। সদস্য এবং শুভাকাঙ্খি সবার কাছে আমার একটাই চাওয়া আপনারা যেন সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করেন এবং সবসময় সংগঠনের সাথে থাকেন।


পরিশেষে বলতে চাই একজন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আমি সংগঠনের স্বার্থে আর্থিক বা অনার্থিক যোকোন পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর।
 

প্রচার সম্পাদকের বাণী

প্রচার সম্পাদকের বাণী

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আমি প্রথমে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার নাম স্বরণ করছি। আল্লাহর রহমতে আমরা এই নিবৃত আলোর শিখা সংগঠনটি গঠন করতে পেরে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। আমার বিশ্বাস সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে নির্ভুল একটি সংগঠন হবে নিবৃত আলোর শিখা সংগঠন। এই সংগঠনের কাজ-ই হচ্ছে গরিব, অসহায় মানুষকে হাতছানি দেওয়া।

আমি সংগঠনের প্রচার সম্পাদক হিসেবে সকল সদস্যদের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও সাফল্য কামনা করে বলবো সমাজ উন্নয়নে নির্ভীক হোন, এই সমাজকে এগিয়ে নিন।

পরিশেষে আমি সাইসাঁঙ্গা নিবৃত আলোর শিখার অঙ্গ সংগঠনের সকল সদস্যদের এবং তাদের পরিবারের সুখ সমৃদ্ধ কামনা করছি।
 

নিবৃত আলোর শিখা কেন্দ্রীয় কমিটি

কেন্দ্রীয় কমিটি পরিচিতি 

Wednesday, July 19, 2017

যৌতুক কে না বলুন

যৌতুক রোধে সচেতনতাঃ
কুসুম একরকম বিবস্ত্র হয়েই বাবার বাড়িতে পৌঁছায়। সারা শরীরে যৌততুকের ক্ষত। গঞ্জের ফ্লেক্সিলোডের দোকানে কাজ করে পাশের গাঁয়ের গোফরান। কুসুমের শরীরের বর্ণ আর সৌন্দর্য্যে আকৃষ্ট হয়ে গোফরান বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ওর কাছে কুসুমের পরিবারের আপত্তি টেকেনি। শুকুর আলী বিশ হাজার টাকা যৌতুক দিয়ে গোফরানের সাথে কুসুমের বিয়ে দিতে বাধ্য হয়। কুসুম তখন গ্রামের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। তারপর শুরু হয় কুসুমের ওপর নির্যাতন। গোফরানের একই কথা, বাপের বাড়িথ্থন ট্যাকা আনবি। আমি বিদেশ যাবে।
প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি যৌতুক প্রথা। গরিবের ঘর থেকে শুরু করে নিম্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত, ধনী, শিক্ষিত সব পরিবারেই যৌতুক অভিশাপের মত ছড়িয়ে আছে। নারী নির্যাতনের মূল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে যৌতুক। এটি একটি কঠিন সামাজিক ব্যাধি এবং কু-প্রথা। যৌতুকের কারণে যেমন নারীর বিয়ে হয় না, ঠিক তেমনি বিয়ে হলেও যৌতুকের কারণেই সংসার ভেঙ্গে যায়। আবার অনেককে স্বামীর ঘরে নির্যাতন সহ্য করেতে হয়, আবার কাউকে প্রাণও দিতে হয়। অথচ আমাদের দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীই নারী । আর এ নারী পণ্য নয়, তারাও মানুষ । যৌতুকজনিত নির্যাতনের ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার ভূমিকা ব্যাপক। মাদকাসক্ত ও জুয়াড়িদের মধ্যে স্ত্রী নির্যাতনের প্রবণতা বেশি।
বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে মতকরা ৫০ ভাগ বিবাহিত নারী যোতুকের কারণে শারীরিক অথবা মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্যানুযায়ী ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ১৬ জন এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৬ জন নারীকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৪ সালের জানুয়ারি হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩৬ জন নারীকে হত্যাা এবং নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে ১৯৫ জন নারীকে। পুলিশের পরিসংখ্যান
অনুযায়ী ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মে মাস পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা
হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ১৯২ টি। প্রতি বছরই হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বহু নারী।
(নারীদেরকে যৌতুকের ছোবল থেকে মুক্ত করতে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমাজের সচেতন শিক্ষিত প্রভাবশালী ব্যক্তি, সমাজসেবক, রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী, ডাক্তার, প্রকৌশলী, কবি-সাহিত্যিক, শিক্ষক, ছাত্র অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন। সংস্কারক রাজা রাম মোহন রায়ের ঐকান্তিকপ্রচেষ্টায় ঐতিহাসিক সতীদাহ প্রথা বন্ধ হয়। তারই সামাজেক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮২৯ সালে এ প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়। এই প্রথা রহিত করার জন্য সোচ্চার ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিকও। যার কল্যাণময় ফল আর ভারত সমাজদেহে প্রচ্ছন্ন রয়েছে। এ দেশের যৌতুক প্রথা বন্ধের তাদের মত মহৎ ব্যক্তির প্রয়োজন এবং তাদের কর্তব্য নির্ধারণের সময় এখনই।
 যৌতুক প্রথা বন্ধে কার্যকর শক্তি যুব সমাজও। যৌতুকের ভয়াবহতা উপলব্ধির পাশাপাশি প্রতিটি এলাকা-মহল্লায় যৌাতুকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। যৌতুককে সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে প্রতিহত করতে হবে। যে চেতনা ও শক্তির বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়েছি, একটি দেশ পেয়েছি, সেই চেতনায় গড়ে ওঠা কর্মপন্থা নিঃসন্দেহে যৌতুক প্রথা বিমোচনে শক্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যৌতুক বিরোধী সেমিনার, সভা, তথ্য কণিকা প্রকাশ, পাঠ্য বইয়ে যৌতুক বিরোধী গল্প, প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে। কারণ পঞ্চম শ্রেণী সমাপ্ত করার আগে বা পরে সিংহভাগ মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। চলচ্ছিত্রের কাহিনীতে, বেতার-টেলিভিশনের নাটকে যৌতুকের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরতে হবে।

অন্যদিকে আমাদের নিবৃত আলোর শিখার সদস্যদের মতে যৌতুক হল একটা ব্যথার দান। আর এই ব্যথার দান গ্রহন করে কেউ কখনো সুখি হতে পারে না। আমরা মনে করি যারা যৌতুক নেয় বা যৌতুকের লালসা করে তারা কৌতুকের পাত্র ছাড়া আর কিছু নয়। তাদের অদৃশ্য ভয়ংকর শিং থাকতে পারে, হিং¯্র থাবা দেওয়ার মতো বিষাক্ত নখের ছোবল থাকতে পারে, আল স্কষ্টেপে মোড়া ককটেলের মতো ধংসের বিস্ফোরণ দুটি চোখ থাকতে পারে, থাকতে পারে আরও বেশি কিছু তবে সে আমাদের কাছে এসবের জন্যই কৌতুকের বা হাসির পাত্র হয়ে গেছে। কারন এটা একটা মানুষের রূপ হতে পারে না । এই সব কিছু মানুষ হিসেবে তার অযোগ্যতাকেই তুলে ধরে আমাদের সবার সামনে। আসুন আজ আমরা তরুণ সমাজ রুখে দাঁড়াই নতুন স্লোগন নিয়ে।- ”যৌতুক নিয়ে কৌতুকের পাত্র হবো না, কৌতুক করে কাউকে যৌতুক নিতেও দিবো না। আসুন, আমরা যৌতুককে ঘৃণা করি আর নিজেদেরকে রক্ষা করি। আসুন, এই জঘন্য ঘৃণ্য শব্দটা আমাদের বাংলা অভিদান থেকে আমাদের সমাজ থেকে একেবারই তুলে দেই। তাই চলুন, আমরা নতুন করে শুরু করি-” যৌতুক নিয়ে নিজেকে ছোট করবো না, আর যৌতুক দিয়ে প্রিয়জনকেও ছোট করবো না”
আমাদের ধর্মে যৌতুক নেই, আছে দেনমোহর। যা বিয়ের সময় মেয়েদেরকেই দিতে হয়। কিন্তু আমরা করি এ উল্টাটা।  আমরা অথামাদের জীবনকে সুখি ও শান্তিময় করে গড়ে তুলতে চাইলে অবশ্যই যৌতুক নিবোও না দিবোও না, আমরা আমাদের ধর্ম মেনে চলবো। ইনশাল্লাহ!

অবশেষে আমরা বলতে চাই নারীকে দিতে হবে তার ন্যায্য অধিকার ও সম্মান। বিয়ে নামক পবিত্র বন্ধনে যৌতুক নামক অভিাশাপ দূর করতে হবে।

মাদকমুক্ত সমাজ হোক তারুন্যের অঙ্গীকার

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের উপায়ঃ
বর্তমান পৃথিবীতে যত জটিল ও মারাত্মক সমস্যা রয়েছে, তন্মধ্যে মাদকদ্রব্য ও মাদকাসক্তি হল সবকিছুর শীর্ষে। যুদ্ধবিগ্রহের চেয়েও এটা ভয়ংকর। কারণ কোন যুদ্ধের মাধ্যমে একটি জাতি-গোষ্ঠীকে দ্বংস করতে হাইলেও একেবারে তা নির্মূল করা সম্ভব নং: যা কিনা মাদকতার মাধ্যমে সম্ভব। বাংলাদেশ মাদকতার হিং¯্র ছোবলে এখন আক্রান্ত এবং দেশটি দ্রুত দ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অথচ এ জাতির এখনও হুঁশ হচ্ছে না অন্যভাবে বলা যায়, আমাদের সমাজ এখন মাদক ক্যান্সারে আক্রান্ত। যার শেষ পরিণতি অনিবার্য মৃত্যু। সমাজকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব না হলে জাতি দ্বংসের অতল গহবরে নিমজ্জিত হবে। এ নিবন্ধে মাদকমুতক্ত সমাজ গঠনের উপায় আলোকপাত করা হল।
মাদকদ্রব্য সেবনের ক্ষতিকর দিক সমূহ:

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের চেয়ে মাদকাসক্তির ভয়াবহতা আরও মারাত্মক ও ভয়ংকর। একটি পরিবারে বা সমাজে অশান্তি ও বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্য একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তিই যথেষ্ট।
১, শারীরিক ক্ষতি: মাদকদ্রব্য সেবনে সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতি হল মানুষের শারীরিক ক্ষতি। যে কারণে একজন মানুষের শরীর ক্রমে ক্রমে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। মাদকদ্রব্য সেবনে মানুষ দৈহিক যে সমস্ত ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা হল ১) লিভার প্রসারিত হওয়া (২) মুখমন্ডল ফুলে যাওয়া ও বিকৃত হওয়া (৩) মাদকদ্রব্যের প্রতি সংবেদনশীলতা  হরাস-বৃদ্ধি পাওয়া (৪) মুখ ও নাক লাল হওয়া (৫) মুখমন্ডল সহ সারা শরীরে কালশিরে পড়া (৬) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া (৭) বুক ও ফুসফুস নষ্ট হওয়া (৮) স্মরণশক্তি কমে যাওয়া (৯) যৌনশক্তি কমে যাওয়া (১০) চর্ম ও যৌন রোগ বৃদ্ধি পাওয়া (১১) স্ত্রীর গর্ভে ঔরসজাত সন্তান বিকলাঙ্গ বা নানারোগে আক্রান্ত হয়ে জন্ম নেয়া (১২) হঠাৎ চেখে কম দেখা (১৩) নাসিকার ঝিল্লি ফুলে উঠা (১৪) ব্রংকাইটিস রোগ বৃদ্ধি সহ বুকের নানা সমস্যা দেখা দেয়
(১৫) সংক্রামক রোগ বৃদ্ধি পাওয়া
(১৬) হজমশক্তি হরাস পাওয়া ও খাবারের প্রতি রুচি কমে যাওয়া (১৭) দীর্ঘ সময় ধরে ঠান্ডা লাগা ও ফ্লুজ্বরে আক্রান্ত হওয়া (১৮) হঠাৎ শিউরে উঠা (১৯) অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়া (২০) স্মৃতিশক্তির কোষ ধ্বংস করা।

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে ফুসফুস ও মুখগহবরে ক্যান্সার সহ ২৫ প্রকার রোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে এবং এদের পাশে অধূমপায়ীরা অবস্থান করলে ঐসব রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রায় ৩০ শতাংশ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও ভেজাল খাদ্যের কারণেই মরণব্যাধি লিভার ও ব্লাড ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। যার কারণে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত (২০১২ সালের হিসাব অনুযায়ী)। বিশ্বের প্রায় ৫০ কোটি মানুষ মাদকের সাথে জড়িত  মে ২০০৭-এর হিসাব মতে)। এক গবেষণায় দেখা যায়, যদি কেউ ১৩টি সিগারেট টানে, তাহলে তার ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি সাতগুণ বৃদ্ধি পায়। আর যদি ২০ টি সিগারেট টানে তাহলে তার ক্যান্সারের ঝুঁকি ২০ গুন বেড়ে যায়। জাতিসংঘ স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ধূমপানের ফলে প্রতি সাড়ে ছয় সেকেন্ডে বিশ্বে ১ জন মানুষ মারা যায়।

মাদকতা প্রতিরোধের উপায়

বর্তমান সমাজে মাদকতার ব্যাপক প্রসার ঘটছে। দিনে দিনে তরুণ-তরুণী, ছাত্র-ছাত্রী সহ বিভিন্ন পেশা-শ্রেণীর মধ্যে মাদকাসক্তের হার যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে কয়েক বছর পর দেশে সুস্থ লোক পাওয়া দুস্কর হবে। বর্তমানে কোন কোন সেচ্ছাসেবী সংগঠন এ বিষয়ে কিছুটা এগিয়ে আসলেও সরকার এ বিষয়ে নীরব রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে সরকারকেই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রাজনৈতিক হানাহানি নয়: বরং সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকতার বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। এখানে মাদকতা প্রতিরোধে কতিপয় প্রস্তাবনা ও দিক নির্দেশনা তুলে ধরা হল-

মাদকদ্রব্য প্রতিরোধের উপায় প্রধানত দুটি। যথা- (১) নৈতিক ও ধর্মীয় (২) রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক।

নৈতিক ও ধর্মীয় উপায়ে মাদকতা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা: বাংলাদেশে শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের বসবাস। এখানে ধর্মীয় অনুভূতি ও চেতনা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকতা নির্মূল করা সম্ভব। ইসলামী দল, সংস্থার দায়িত্বশীল, মসজিদের ইমাম ও খতীব, ইসলামী জালসা ও সেমিনারে আলোচকদের মাধ্যমে মাদকের দুনিয়াবী ক্ষতি ও পরিণতি এবং পরকলে এর শাস্তি ও ফলাফলের বিষয়টি তুলে ধরতে হবে।

রাষ্ট্রীয় বা প্রশাসনিক প্রতিরোধ: কোন দেশের প্রশাসন যদি দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে প্রশাসনের সামনে অপরাধ কর্মকান্ড হওয়াই স্বাভাবিক । মাদকতা বন্ধে আমাদের কতিপয় প্রস্তাবনা।-
১. মাদকদ্রব্য উৎপাদন ও সরবরাহের লাইসেন্স বন্ধ করতে হবে।
২. পুলিশ প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
৩. মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে পৃথক অধিদফতর গঠন করে সংশ্লিষ্টদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।
৪. মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের সাথে জড়িতদের প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
অতএব আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাদকতা থেকে বেঁচে থাকার এবং এগুলো
প্রতিরোধ করার তাওফীক দান করুন- আমীন!

আর নয় বাল্যবিবাহ

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাল্যবিবাহ একটি সাধারণ ব্যাধি। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেখানে বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাল্যবিবাহ ও এর পরিণতি সংক্রান্ত বিষয়ে নিস্পৃহ দৃষ্টিভঙ্গি কোন সচেতন নাগরিকের কাম্য হতে পারেনা। তাই এ অবস্থা উত্তরণে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধে কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিচে আলোচিত হলঃ

এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হয় সরকারকে। কেননা সরকার যদি নমনীয় হয় এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে আইনের সঠিক প্রয়োগ করে তাহলে বাল্যবিবাহ রোধ বহুলাংশে সম্ভব।
আমাদের সদিচ্ছাই পারে বাল্যবিবাহ রোধ করতে। তাই বাল্যবিবাহ রোধে ব্যপকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
দারিদ্রতা দূরীকরণের যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেননা যারা দরিদ্র তাদের মধ্যে বাল্যবিবাহের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। আবার যারা দারিদ্র্য থেকে উঠে এসেছে তারা চেষ্ট করে বাল্যবিয়ে না দিতে। দরিদ্র পরিবারে একজন মেয়েকে বোঝা মনে করা হয় এবং দ্রুত বিয়ে দেওয়ার চেষ্ট করা হয়। ফলে এই মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
গ্রামে বলা হয় যে , মেয়ে ঋতুপ্রাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দাও। এর ফলে বাল্যবিবাহের সংখ্যা বাড়ছে। তাই যৌতুক, অশিক্ষা আর কুসংস্কার এর ন্যায় অনাচার দূর করতে হবে সমাজ থেকে।
আমাদের গণমাধ্যমগুলোকেও কার্যকর দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগে বাল্যবিবাহ ব্যাপক আকারে হলেও সেটা পত্রিকায় বা গণমাধ্যমে আসত না। ফলে মানুষ এটি সম্পর্ক জানতে পারত না। কিন্তু বর্তমানে গণমাধ্যমগওলোর ইতিবাচক ভূমিকার ফলে অনেক ঘটনা জানতে পাচ্ছি এবং সেই অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে  । বর্তমানে গণমাধ্যমকে সামাজিক দায়বদ্ধতার দৃষ্টিকোণ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন
করতে হবে। পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন কেস স্টাডির মাধ্যমে ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার
বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন নাটক, চলচ্চিত্র, টকশো ইত্যাদির মাধ্যমে সচেতন
কাযক্রম দৃঢ় করতে হবে।
বাল্যবিবাহ রোধে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে সচেতনতা ও শিক্ষা। কেননা যখন সবাই সচেতন হবে তখন বাল্যবিবাহ রোধে সবাই ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়া শিক্ষা হলো নারীদের জন্য অপরিহার্য। শিক্ষিত নারী-ই পারে সমাজের সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। নারীরা যখন তাদের অদিকার আদায়ের ব্যাপারে সচেতন হবে তখন আশে পাশের মানুষগুলো অন্তত নড়েচড়ে বসবে। কোন কিছু চাপিয়ে দিতে তারা ভাববে। এখন সময় এসেছে নরীদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেয়ার। আমাদের পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা যদিও কর্তৃত্বের সুযোগ থেকে পিছিয়ে আছে তথাপি এ গন্ডি থেকে নারীদের নিজে থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বাল্য বিবাহ রোধে নারীদের কেই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। পরিবারে বোঝা না হয়ে নিজেকে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করতে হবে।

মোটকথা বাল্যবিবাহ বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সচেতন করতে হবে পিতা মাতাকে, বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে। তা হলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা যাবে।

আর নয় ইভটিজিং

হাল সময়ের নারীদের জন্য সবচেয়ে বিব্রতকর ও ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে ইভটিজিং। এটা বর্তমানে একটা বড় অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সব্যতাবিবর্জিত ইভটিজিংয়ের কারণে অনেক নারী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে এবং কেউ কেউ এ বিব্যতকর পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে। অনেক সম্ভাবনাময় জীবনের অপচয় হচ্ছে এ ইভটিজিং দ্বারা। এক শ্রেণীর অভদ্র ও বিকৃত কুরুচিসম্পন্ন ব্যক্তি দ্বারা হরহামেশাই ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছে নারী সমাজ। ইভটিজিং তাদের কাছে আনন্দের বিষয়। কিন্তু তারা জানে না বা বুঝে না এ ইভটিজিংয়ের শিকার নারীরা কীভাবে মন-মানসিকতার দিক দিয়ে ভেঙ্গে পড়ে। অনেক সময় এতটাই বিব্রতকর অবস্থায় তাদের পড়তে হয় যেটা তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে বিনিময় করতে পারে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের পরিবারসহ কোথাও যাওয়ার সময় এ ইভটিজিংয়ের কবলে পড়ে। তখন তার পরিবারও বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে। এ ইভটিজিং বিভিন্নভাবে সংঘটিত হতে পারে। যেমন মুখের ভাষা ব্যবহার করে, অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে এমনকি কোনো কিছু ছুড়ে মেরে ইত্যাদি।
ইভটিজিংকারী ব্যক্তিকে এ সভ্যতাবিবর্জিত পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। তাদের ঘৃণা বা সমালেথাচনা না করে বোঝাতে হবে যে, এটা কোনো গৌরবের বিষয় নয়। বরং এটা করে তারা নিজেদেরই মূল্যবান সময় অপচয় করছে। এর শিকার একদিন তার পরিবার বা নিকট আত্মীয়ও হতে পারে।
নারীদের আমাদের সহযোগী ভাবতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্র, কর্মক্ষেত্রসহ সব পর্যায়েই নারীদের সঙ্গে ভদ্র ও দায়িত্বসম্পন্ন আচরণ করার মন-মানসিকতা সৃষ্টি করতে হবে॥

জনসচেতনতায়
সচেতনতা সৃষ্টি বিষয়ক প্রকল্প-সচেতন।
সৌজন্যে
নিবৃত আলোর শিখা

কার্যক্রম পরিচালনার নীতিমালা



ধারা-১:
নাম ও ঠিকানা: এই সংগঠনের নাম হবে wbe„Z Av‡jvi wkLvwbe„Z Av‡jvi wkLv এর কেন্দ্রীয় ঠিকানা হবে- mvBmuv½v, dwi`MÄ, Puv`cyi, বাংলাদেশ |
  †gvevBjt  01853166784  ই-মেইল: nibritoalorsikha@gmail.com
ধারা-২:
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকরূপ দেয়াসহ  সমাজের সকল ক্ষেত্রে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রিয় দেশমাতৃকাকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই হবে wbe„Z Av‡jvi wkLvএর মূল লক্ষ্য।
লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য উদ্দেশ্যসমূহ হবে:
ক.    আইনের শাসন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, সমতা, ন্যায়-পরায়ণতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তথা সমাজের সকল স্তরে গণতন্ত্রের চর্চা  নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নাগরিকদের সচেতনসক্রিয়, সোচ্চার ও সংগঠিত করা।
খ.    সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে কাক্ষিত সংস্কারের লক্ষ্যে জনমত গঠন ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীহিসেবে কাজ করা এবং এ সমস্ত ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের নিরীক্ষক ও অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করা।
ধারা-৩:
সংগঠন পরিচালনার মূলনীতি: wbe„Z Av‡jvi wkLvপরিচালনার মূলনীতি হবে দল নিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
ধারা-৪:
সদস্য পদ: সমাজের সৎ, আদর্শবান, চিন্তাশীল ও জনকল্যাণে নিবেদিত যে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি wbe„Z Av‡jvi wkLvএর সদস্য হতে পারবেন। সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিগণ আগ্রহী হলে wbe„Z Av‡jvi wkLv Gi প্রাথমিক সদস্য হতে পারবেন, তবে কোনো কমিটির পদ গ্রহণ করতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে স্তরে সদস্যপদের আবেদন করবেন, সেই স্তরের কমিটিই তাঁকে সদস্যপদ প্রদান করতে পারবে। যে কোনো প্রাথমিক সদস্য পরবর্তীতে যে কোনো স্তরের কমিটিতে পদ গ্রহণ করতে পারবেন। তবে ঋণ খেলাপী, কর খেলাপী, বিল খেলাপী, কালো টাকার মালিক, ফৌজদারি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি wbe„Z Av‡jvi wkLv সদস্য হতে পারবেন না। wbe„Z Av‡jvi wkLvএর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সদস্যগণকে নির্দিষ্ট হারে বার্ষিক/মাসিক সদস্য ফি প্রদান করতে হবে। wbe„Z Av‡jvi wkLv এর সঙ্গে  সংশ্লিষ্ট সকলেই হবেন স্বেচ্ছাব্রতী।
ধারা-৫.১
জাতীয় কমিটি: জাতীয় কমিটি হবে সংগঠনের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক কাঠামো। সংগঠনের মৌলিক নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্তসমূহ এই কমিটিতে গৃহীত হবে
ধারা-৫.2
কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি: সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনাসহ সামগ্রীক কার্যনির্বাহের জন্য মূল উদ্যোগী ভূমিকা ও দায়-দায়িত্ব পালন করবে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি। এই কমিটি সংগঠনের মৌলিক নীতিমালা সমূহের আলোকে সংগঠন পরিচালনার জন্য কর্মকৌশল ও কর্মসূচি নির্ধারণসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দশেনা প্রদান করতে পারবে। ১ জন সভাপতি, ১ জন সহ-সভাপতি, ১ জন সম্পাদক, ১ জন সহ-সম্পাদক, ১ জন কোষাধ্যক্ষ এবং ১৬ জন নির্বাহি সদস্য সমন্বয়ে সর্বমোট ২১ সদস্য বিশিষ্ট হবে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি।
ধারা-৬:
সদস্যদের দায়-দায়িত্ব: সভাপতি, সংগঠন প্রধান এবং সম্পাদক, নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সহ-সভাপতি, সভাপতির অনুপস্থিতিতে এবং সহ-সম্পাদক, সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। কোষাধ্যক্ষ অর্থ সংক্রান্ত হিসাব ও নথিপত্র সংরক্ষণসহ তহবিল পরিচালনার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্যগণ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।
ধারা-৭:
আন্তঃকমিটি সম্পর্ক: AvšÍ কমিটি একে অপরের সাথে AvbyôvwbK, সৌহার্দ্যমূলক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে কার্যকর সম্পর্ক সৃষ্টি করবে। AvšÍ কমিটিwbe„Z Av‡jvi wkLv এর চেতনা, আদর্শ ও নীতির আলোকে স্থানীয় বাস্তবতার নিরিখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। স্থানীয় পর্যায়ে ‘‘wbe„Z Av‡jvi wkLv’-এর কার্যক্রম নিজস্ব পরিকল্পনা, নিজস্ব সম্পদ ও নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। m`m¨ c` থেকে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করা যেতে পারে কিন্তু কোনো ব্যাপারে হস্তক্ষেপ বা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার মানসিকতা পরিহার করা হবে।
ধারা-৮:
সদস্যপদ বাতিল/অব্যাহতি ও কমিটি বিলুপ্তি: প্রতিটি স্তরের কমিটিই ধারা-৪এর সাথে সঙ্গতি রেখে এবং স্থানীয় বাস্তবতার নিরিখে, যে কোনো ব্যক্তিকে সদস্য পদ প্রদান করতে পারবে এবং wbe„Z Av‡jvi wkLvGi নীতি-আদর্শ রিরোধী কার্যকলাপের জন্য  তাদের সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে।
 †mB mv‡_ m`m¨ c` evwZj I ¯’wM‡Zi wKQz wbqgvejxt

·      hw` †Kvb m`m¨ †¯^”Qvq mwVK I Dchy³ KviY `k©v‡bvc~e©K wjwLZ AvKv‡i c`Z¨vM K‡ib|
·      hw` gvbwmK fvimvg¨ nvivb|
·      GKUvbv wZb gv‡mi gvwmK wd cÖ`vb bv K‡ib|
·      hw` msMV‡bi MVbZš¿ I ¯^v‡_©i cwicš’x †Kvb KvR K‡ib ev Zvi ¯^fve AvPvi-AvPiY ms¯’vi cwicš’x nq|
·      hw` `vwqZ¡ I KZ©e¨ h_vixwZ cvjb bv K‡ib ev msMV‡bi Kv‡R wbw¯Œq I AKg©b¨ n‡q c‡ib|

ধারা-৯:
সভা আহ্বান: জাতীয় কমিটির সভা বছরে কমপক্ষে ২ বার অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কমিটির ১টি সভা বার্ষিক সাধারণ সভা হিসেবে গণ্য হবে, সেখানে সংগঠনের কার্যক্রম মূল্যায়ন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়নসহ বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপিতি ও অনুমোদতি হবে।
ধারা-১০:
তহবিল: ‘‘wbe„Z Av‡jvi wkLv’-এর তহবিল AvšÍ KwgwU wd, সদস্য ভর্তি ফি, সদস্য ফি, স্বেচ্ছা অনুদান ও যে কোনো সহযোগী সংস্থা প্রদত্ত অনুদানের মাধ্যমে গঠিত হবে।  
ধারা-১১:
সদস্য চাঁদা/ভর্তি ফি: প্রত্যেক সদস্যকে নির্ধারিত হারে সদস্য ভর্ত্তি ফি সহ বার্ষিক/মাসিক সদস্য ফি প্রদান করতে হবে। সদস্য ভর্ত্তি ফি হবে 100.00 টাকা। কমিটির স্তর ভেদে এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে বার্ষিক/মাসিক সদস্য ফি নির্ধারণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকল কমিটিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে এই হার নির্ধারিত হবে।
ধারা-১২:
আর্থিক ব্যবস্থাপনা: তহবিল পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট স্তরে GKwU weKvk হিসাব থাকবে। কমিটির সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যৌথ নামে ও স্বাক্ষরে GB হিসাব পরিচালিত হবে। বছর শেষে আয়-ব্যয়ের হিসাব কমিটি  সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবে।
ধারা-১৩:
নীতিমালা সংশোধন ও ব্যাখ্যা: জাতীয় কমিটিতে আলোচনা ও অনুমোদনের মাধ্যমে এই নীতিমালা সংশোধন করা যেতে পারে। কোনো ধারা বা উপ-ধারা সম্পর্কে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি তা প্রদান করবে।